উচ্চ শিক্ষিত জঙ্গি মহম্মদ রফি ভাট সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত

vatগত ৬ই মে কাশ্মীরে সেনাবাহিনী বড়ো সাফল্য পেলো। সেনাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় পাঁচজন জিহাদির-যারা সকলেই হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গি। এরমধ্যে সবচেয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী নাম হলো মহম্মদ রফি ভাট। কিন্তু কে এই মহম্মদ রফি ভাট? কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কনট্র্যাকচুয়াল প্রফেসর ছিল মহম্মদ রফি ভাট (৩৩)। সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি ছিল তার। গান্ডেরওয়াল জেলার চুন্দিনার বাসিন্দা সে। কয়েকদিন আগেই জঙ্গি সংগঠনে নাম লিখিয়েছিল ভাট। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর ওই দিনই মাকে শেষবারের মতো ফোন করেছিল সে। বলেছিল, স্বল্প মেয়াদী জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। রবিবার বাবা ফৈয়াজ আহমেদ ভাটকে ফোন করে রফি। তখনই বাবাকে ‘বিদায়’ জানায় সে।
ঠিক কী বলেছিল রফি? পুলিসকে ফৈয়াজ জানিয়েছে, ‘সকালেই ছেলে আমাকে ফোন করে বলে, বাবা আমি যদি তোমাকে কখনও আঘাত দিয়ে থাকি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করো। এটাই আমার শেষ ফোন। কারণ আমি আল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি।’ রিপোর্ট বলছে, জঙ্গি সংগঠনে নাম লেখালেও ছেলে কখনও অস্ত্র তুলে নেবে না বলে পুলিসকে জানিয়েছিলেন ফৈয়াজ। ১৮ বছর বয়সে একবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল ভাট। তখন পুলিস তাকে পাকড়াও করে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই ছেলের উপর কড়া নজর রাখতেন বাবা ফৈয়াজ।
বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর থেকে যে সমস্ত কাশ্মীরি তরুণ জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছে, তাদের বেশিরভাগই অল্প দিনের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে। সেইমতো গতকাল ৬ই মে, রবিবার পুলিসের জালে পড়ে যায় ভাট। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় তার।

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s