রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে ত্রিপুরার কমলাসাগর সীমান্ত

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে অনুপ্রবেশের নতুন রাস্তা খুঁজে পায়েয়েছে। বর্তমানে মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরা হয়ে ভারতের অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ক্ষেত্রে ত্রিপুরার বিশালগড় মহকুমার মিঞাপাড়া হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশের করিডর হয়ে উঠেছে। গত চার-পাঁচ মাস ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিঞাপাড়া হয়ে ভারতে ঢুকে আসাম হয়ে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। মধুপুর থানা এলাকার মিঞাপাড়া হলো পাচারের মুক্তাঞ্চল। এটা বিএসএফ-এর কমলাসাগর বর্ডার অউটপোস্টের অধীনে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে,মিঞাপাড়া সীমান্তের ১১০, ১১১, ১১২,১১৩ এবং ১১৪ নং গেটের মাঝের কাঁটাতার পেরিয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা প্রবেশ করে। দুপুরে বিএসএফ-এর জওয়ানরা যখন ডিউটি বদল করে,তখন ভারতীয় দালালরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতে প্রবেশ করায়। তারপর তাদেরকে কাছের মুসলিম বস্তি রানিরবাজারের কাওয়ামারা এলাকায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। সেটাই হলো অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেসক্যাম্প। সেখানে তাদের ভারতবর্ষ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। রাস্তায় কি কথা বলতে হবে,বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করলে কি উত্তর দিতে হবে এইসব শেখানো হয়।এমনকি সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন সকলে হিন্দি ভাষায় কথা বলে।  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ভারতে যে সমস্ত রোহিঙ্গা মুসলিম আসছে, তারা রেলপথে বাংলাদেশের কসবা স্টেশনে এসে নামছে। সেখান থেকে এরা দালাল ধরে মিঞাপাড়া সীমান্তে এসে ভারতে প্রবেশ করছে। গত চার-মাস ধরে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ চললেও, বিএসএফ আজ পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে পারেনি। অথচ ত্রিপুরা পুলিশ রাস্তা থেকে ধরছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের। যা দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s