গণতন্ত্রের মন্দিরে বাকরূদ্ধ ভারতরত্ন সচিন

Gonotontrer mondire bakruddho sachinডুঙ্গরি টু দুবাই – ‘পিন ড্রপ সাইলেন্স’, শুনশান পথঘাট, নিঃশব্দে চলছে মুম্বইয়ের রেল, টেলিভিশনের পর্দায় ২০০ কোটি চোখ। সচিন বলবেন। ৫ বছরে প্রথমবার রাজ্যসভায় বলবেন ভারতরত্ন সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। সম্মতি দিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। বরাবরের শান্ত স্বভাবের, স্বল্প উচ্চতার হেভিওয়েট সচিন নিজের স্থান থেকে উঠেও দাঁড়ালেন। কিন্তু, বলা হল না তাঁর! একটা কথাও বলা হল না জীবন্ত কিংবদন্তির। কেন বলতে পারলেন না সচিন? 
সিবিআই বিশেষ আদালতের রায়ে টু-জি মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন এ রাজা এবং কানিমোঝি সহ ১৭ জন অভিযুক্ত। ১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার ‘কেলেকাঙ্কারির কলঙ্ক’ মুছতেই সংসদের ভিতরে শাসকদলকে চেপে ধরেছে কংগ্রেসসহ বিরোধীরা। ইউপিএ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। এই ‘ওয়ান পয়েন্ট অ্যাজেন্ডা’ নিয়েই সরগরম হয়ে উঠেছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। হট্টগোলের মধ্যে পড়ে রাজ্যসভায় নিজের প্রথম ভাষণটাই দিতে পারলেন না ভারতরত্ন সচিন। বিরোধীদের এহেন আচরণের নিন্দা করে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বলেন, “আপনারা ক্রীড়া বিষয়ক কোনও কিছু শুনতে চাইছেন না। ভারতরত্নকে অসম্মান করছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের জীবন্ত কিংবদন্তীকে অপমান করছেন। এটা কোনও পদ্ধতি হতে পারে না।” বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় ক্রীড়া সংক্রান্ত আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল সচিনের।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s